Friday, February 23, 2024

কর্ণফুলীতে দখল-দূষণ আরও বেড়েছে

তারিখ:

কর্ণফুলীতে দূষণ এবং নদীর জায়গা দখলের পরিমাণ আরও বেড়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মনজুর আহমেদ চৌধুরী। সোমবার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে চট্টগ্রামের নদী ও খাল নিয়ে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা জানান। নদী ও খালের অবস্থা পর্যবেক্ষণে চট্টগ্রামে তিন দিনের সফরে রয়েছেন চেয়ারম্যানসহ নদী রক্ষা কমিশনের কর্মকর্তারা।

সভায় কর্ণফুলী নদীকে বাংলাদেশের সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ নদী উল্লেখ করে মনজুর আহমেদ বলেন, শুধু চট্টগ্রামবাসীর জন্য নয়, সারাদেশের জন্য কর্ণফুলী নদী গুরুত্বপূর্ণ। এখানে দূষণ আছে। দূষণের চেয়েও দখল বেশি। এসব কারণে নৌ চলাচল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ২০১৮-১৯ সালে কমিশনের চেয়ারম্যান দুইবার চট্টগ্রামে এসেছিলেন। ৩ বছর ১১ মাস পর আমাদের এ পরিদর্শন। তখনও কিছু সমস্যা ছিল। তখন জেলা প্রশাসক, সিটি করপোরেশন ও চট্টগ্রাম বন্দরকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। সমস্যার সমাধান হয়েছে অল্প; আরও বেড়েছে। দখলের পরিমাণও বেড়েছে।

নদীর জমিতে অবকাঠামো করার অনুমতি কোনো সরকারি সংস্থা দিতে পারে না জানিয়ে নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, ৩ বছর ১১ মাস আগে ডিসিকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল, সব বাতিল করে নদীর জমি খাস খতিয়ানে নিয়ে আসতে। সেই আদেশ প্রতিপালিত হয়েছে কিনা, তা দেখতে এসেছি। এখান থেকে শুধু আশ্বাস নিয়ে যাব না। এক আশ্বাসে চার বছর গেছে।

তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রের সম্পত্তি রক্ষায় আমরা নিয়োগপ্রাপ্ত। দৃশ্যমান ফল এবার পেতে পারেন। হাইকোর্টের রায় ও সিএস অনুসারে নদীর জায়গা নদীর অধিকার। নদীকে দখলদারদের হাত থেকে অবমুক্ত করতে হবে। জীবন্ত সত্তা হিসেবে অবাধে প্রবাহিত হওয়া, দখল না হওয়া এবং দূষণ না হওয়ার অধিকার নদীর আছে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন কমিশনের উপপরিচালক (গবেষণা ও নিরীক্ষণ) ড. আকতারুজ্জামান তালুকদার, সহকারী পরিচালক তৌহিদুল আজিজ, সহকারী পরিচালক আশরাফুল হক, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিজাস্টার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষক ড. আবুল হাছান প্রমুখ।

জনপ্রিয় সংবাদ