Thursday, February 29, 2024

রিয়ালের শিরোপা জয় যেন নিয়তির লিখন

তারিখ:

নিয়তি—শব্দটিতে অনেকের আপত্তি থাকতে পারে। রিয়ালের সমর্থকদের তো বটেই, কাল রাতে যাঁরা ফাইনাল খেলা দেখেছেন, আপত্তি করতে পারেন তাঁরাও। ফাইনালে তো দুই দলের খেলায় তেমন পার্থক্য ছিল না। প্রথমার্ধের শুরুতে লিভারপুল একটু ভালো খেলেছে। দ্বিতীয়ার্ধে রিয়াল নিজেদের ছায়া থেকে বেরিয়ে এসেছে। মোহাম্মদ সালাহ–সাদিও মানেদের গোল মিসের মহড়া যেমন লিভারপুলকে আক্ষেপে পুড়িয়েছে, তেমনি গোল মিস করেছেন বেনজেমা–ভিনিসিয়ুসও।

দুই দলের ফরোয়ার্ডদের গোল মিসের এই মহড়ার মধ্যেই ভিনিসিয়ুস একটি সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি। অন্যদিকে সালাহ–মানেদের অনেক ভালো শট আটকে দিয়েছেন রিয়ালের গোলকিপার কোর্তোয়া। কেউ গোল মিস করবেন, কেউ সুযোগ কাজে লাগিয়ে দলকে এগিয়ে দেবেন, কারও শট পোস্টে লেগে ফিরে আসবে, কাউকে গোলবঞ্চিত করবে গোলকিপারের বিশ্বস্ত হাত—এটাই তো ফুটবলের রীতি, এটাই ফুটবল।

এবার এই প্রশ্ন করবেন তো—এখানে নিয়তিকে টেনে আনা কেন? তাহলে একটু পেছন ফিরে যেতে হবে। বেশি দূরে নয়, সময়ের চাকা ঘুরিয়ে এবারেরই চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলো, শেষ আট ও শেষ চার থেকে ঘুরে আসতে হবে।

শেষ ষোলোর প্রথম পর্বে পিএসজির মাঠ থেকে ১–০ গোলে হেরে আসে রিয়াল। এবার অ্যাওয়ে গোলের হিসাব না থাকায় নিজেদের মাঠে যেকোনো ব্যবধানে জিতলেই পরের রাউন্ড নিশ্চিত—এমন হিসাব নিয়েই বার্নাব্যুতে খেলতে নেমে কিলিয়ান এমবাপ্পের গোলে পিছিয়ে পড়ে রিয়াল। কিন্তু ১৭ মিনিটের মধ্যে বেনজেমার অবিশ্বাস্য এক হ্যাটট্রিকে ৩–২ গোলের অগ্রগামিতায় শেষ আটে ওঠে রিয়াল।

শেষ আট থেকে রিয়াল শেষ চারে ওঠে নাটকীয়ভাবে। চেলসির মাঠ থেকে ৩–১ গোলে জিতে আসা রিয়াল নিজেদের মাঠে ৩–০ গোলে পিছিয়ে পড়ে। ৭৯ মিনিট পর্যন্ত দুই লেগ মিলিয়ে ৪–৩ গোলে এগিয়ে থাকে চেলসি। ৮০ মিনিটে রদ্রিগোর গোলে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। এরপর বেনজেমার ৯৬ মিনিটের গোলে শেষ চারে ওঠে রিয়াল।

জনপ্রিয় সংবাদ