Friday, March 1, 2024

সেনা নিকেতনের’ বাড়িতে ফেরা আর হলো না ।

তারিখ:

আর মাত্র বছরখানেক। তারপর সেনাবাহিনীর চাকরি থেকে অবসরে যাবেন। ফিরবেন গ্রামের বাড়ি। বাকি জীবন কাটাবেন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে।

এ জন্য পটুয়াখালী পৌর শহরে বাড়িও করেন। নতুন ভবনের নাম দেন ‘সেনা নিকেতন’। কিন্তু তাঁর সেই স্বপ্ন আর পূরণ হলো না। চাকরি নয়, জীবন থেকেই ‘অবসরে’ চলে গেলেন তিনি। গত বুধবার রাতে বান্দরবানের রুমার দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অভিযানের সময়  গোলাগুলিতে নিহত হন। তিনি সেনাবাহিনীর সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার হাবিবুর রহমান।

এ জন্য পটুয়াখালী পৌর শহরে বাড়িও করেন। নতুন ভবনের নাম দেন ‘সেনা নিকেতন’। কিন্তু তাঁর সেই স্বপ্ন আর পূরণ হলো না। চাকরি নয়, জীবন থেকেই ‘অবসরে’ চলে গেলেন তিনি। গত বুধবার রাতে বান্দরবানের রুমার দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অভিযানের সময়  গোলাগুলিতে নিহত হন। তিনি সেনাবাহিনীর সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার হাবিবুর রহমান।

 

পটুয়াখালী প্রতিনিধি জানান, হাবিবুর রহমানের বড় ছেলে হাসিবুর রহমান তাঁর বাবার আর বছরখানেক পরে অবসরের কথা জানিয়ে বলেন, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে জীবনের বাকি সময় কাটাতে তাঁর বাবা কয়েক বছর আগে পটুয়াখালী পৌর শহরের বহালগাছিয়া এলাকায় বাড়ি করেন। নতুন বাড়ির নাম ‘সেনা নিকেতন’। সেখানে বাবা ফিরেছেন, তবে দেশের জন্য লড়াই করে লাশ হয়ে।

গতকাল বাড়ির উঠানে গিয়ে দেখা যায়, মরদেহ দাফনের প্রস্তুতি চলছে। স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে এলাকা। সেখানে ভিড় করেছে শোকাহত আত্মীয়, এলাকাবাসী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

হাসিবুর রহমান বলেন, ‘আব্বার সঙ্গে সব সময় কথা বলতে পারতাম না। তিনি যখন ফোন করতেন, তখনই কথা বলতে পারতাম। কারণ, নেটওয়ার্ক সমস্যা ছিল। গত রাতে (বুধবার) আব্বার সঙ্গে কথা হয়। তিনি বলেছেন, কোনো ভুল করলে ক্ষমা করে দিয়ো, একটা অভিযানে যাচ্ছি। ’

গতকাল সন্ধ্যা পৌনে ৬টায় হাবিবুর রহমানের মরদেহ এলাকায় পৌঁছায়। এরপর যুবকের মাঠে জানাজা শেষে সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় মরদেহ দাফন করা হয়।

সেনা কর্মকর্তা হাবিবুর রহমানের বাবা, মা, স্ত্রী ও দুই ছেলে রয়েছে। ছোট ছেলেও সেনাবাহিনীর সৈনিক পদে কর্মরত।

 

এর আগে রাঙামাটিতে সন্ত্রাসীদের সঙ্গে গোলাগুলিতে একজন সেনা সদস্য নিহত হন। ২০১৯ সালের ১৭ আগস্ট রাঙামাটি রিজিয়নের রাজস্থলী আর্মি ক্যাম্প থেকে চার কিলোমিটার দক্ষিণে পোয়াইতুমুখ এলাকায় সেনাবাহিনীর একটি নিয়মিত টহল দলের ওপর সন্ত্রাসীরা অতর্কিত গুলি চালায়। এতে  সৈনিক নাসিম (১৯) গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। আহত সেনা সদস্যকে তত্ক্ষণাৎ হেলিকপ্টারযোগে চট্টগ্রাম সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

জনপ্রিয় সংবাদ