Friday, February 23, 2024

দেশের প্রথম উড়ন্ত রেস্টুরেন্ট কক্সবাজারে

তারিখ:

কক্সবাজারে পর্যটকদের আকর্ষণে সমুদ্র তীরে যাত্রা শুরু করেছে উড়ন্ত রেষ্টুরেন্ট। ‘ফ্লাই ডাইনিং’ নামের এই রেষ্টেুরেন্টে উড়ন্তাবস্থায় টেবিলে বসে এখানে নানান স্বাদের খাবার গ্রহণ করতে পারবেন যেকেউ। পর্যটন শিল্পের বিকাশে এই রেষ্টুরেন্ট নব দিগন্তের সূচনা করবে।

 

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় যাত্রা শুরু করে উড়ন্ত রেষ্টুরেন্ট। সৈকত পাড়ের সুগন্ধা পয়েন্টে এ রেস্টুরেন্টটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা উদ্বোধন করেছেন কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমান। উদ্বোধনীতে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত এডিশনাল ডিআইজি (চট্টগ্রাম রেঞ্জ) মো. মুসলেম উদ্দিন, কক্সবাজার ট্যুরিষ্ট পুলিশের এসপি মো. জিল্লুর রহমান ও ফ্লাই ডাইনিং রেস্টুরেন্টের কর্ণধার নবাব ফয়েজ আবু বক্কর খান প্রমূখ।

 

উড়ন্তাবস্থায় টেবিলে বসে এখানে নানান স্বাদের খাবার গ্রহণ করতে পারবেন যেকেউ। পর্যটন শিল্পের বিকাশে এ ধরনের উদ্যোগ আগে নেওয়া হয়নি। উদ্বোধনের প্রথম দিনেই পর্যটকদের মাঝে সাড়া ফেলেছে এই উড়ন্ত রেষ্টুরেন্ট। সম্পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করে অত্যাধুনিক মেশিনের ক্রেনের সাহায্যে সৈকতের ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৬০ ফুট উঁচুতে এ রেস্টুরেন্টে থাকবে খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।

 

এতে মেঘের রাজ্যে বসে আপ্যায়িত হওয়ার এক রুমাঞ্চকর অনুভূতি পাবেন পর্যটকরা। রেস্তুরার পশ্চিম পাশের খালি স্থানে বসানো হয়েছে একটি ক্রেন। একটি বিশেষ পাঠাতনে ২০ জন ধারণ ক্ষমতার চেয়ার, টেবিল ও উপরে ছাতার মতো এক ধরণে ছাদ দিয়ে চারপাশ খোলা রাখা হয়েছে। এ্যালোমেনিয়াম ও স্টীলের সমন্বয়ে তৈরী বিশেষ তার ক্রেনের মাথায় লাগিয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে সেই পাঠাতনে মাঝখান ও চারপাশে।

 

মাটিতে থাকা কিচেনে পছন্দ মতো খাবার অর্ডার করে তা যেকেউ চাইলে ‘উড়ন্ত পাঠাতনে’ পরিবেশন সুবিধা নিতে পারছেন। আধুনিক জগতের এমন ব্যতিক্রম আয়োজন পাল্টে দিবে কক্সবাজারের পর্যটনের আবহ। সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টের বালিয়াড়িতে স্থাপন করা হয়েছে এই উড়ন্ত রেষ্টুরেন্ট। দেশের প্রথম ডিজিটাল পদ্ধতির এই ‘ফ্লাই ভাইনিং’ নির্মাণ করেছেন আন্তর্জাতিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠন ‘ইউর ট্রাভেলস লিমিটেড’। এখানে খাবার গ্রহণের সময় বাড়তি আনন্দ উপভোগ করবেন গ্রাহকরা।

 

আয়োজকরা জানান, ২০ জনের ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন ‘ফ্লাই ডাইনিং’ রেস্টুরেন্টটি মাটি থেকে সৈকতের আকাশে ১৬০ ফিট উপরে তুলে চতুর্দিক ঘুরতে ঘুরতে ক্রেতাদের খাবার পরিবেশন করবে। এসময় আকাশ থেকে উপভোগ করা যাবে সৈকত ও আশপাশের দৃশ্যও। এতে জনপ্রতি খরচ পড়বে সর্বনি¤œ ৪ হাজার টাকা থেকে সাড়ে ৮ হাজার টাকা (খাবারসহ)। পাঠাতনে উঠা, আকাশে উড্ডয়ন এবং অবস্থান ও নেমে আসার সময়সহ প্যাকেজের পরিধি এক থেকে দেড় ঘন্টা। পরিবারসহ বিনোদন ও খাওয়ার ব্যবস্থাপনায় থাকছেন দেশের বিখ্যাত রন্ধন শিল্পী টনি খান।

 

উদ্বোধনী দিনে আকাশে উঠে খাবার উপভোগ করা জসিম উদ্দিন, শামীম, রহমান আজিজসহ পর্যটকরা জানান, এ এক অন্যরকম অনুভূতি। পাঠাতনের চেয়ারে বিমানের মতোই লাগানো সিট বেল্টে প্রথমে নিজেকে আটকানো হয়।

 

‘ফ্লাই ডাইনিং’ রেস্টুরেন্টটির ব্যবস্থাপক ও প্রধান সমন্বয়কারী মুহাম্মদ আমান উল্লাহ জানান, ২০ জনের ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন ‘ফ্লাই ডাইনিং’ রেস্টুরেন্টটি মাটি থেকে সৈকতের আকাশে ১৬০ ফিট উপরে তুলে চতুর্দিক ঘুরতে ঘুরতে ক্রেতাদের খাবার পরিবেশন করবে। এসময় আকাশ থেকে উপভোগ করা যাবে সৈকত ও আশপাশের দৃশ্যও।

 

কক্সবাজারে আসা পর্যটকদের রাতের বিনোদনের অন্যতম অবলম্বন হয়ে উঠতে পারে এই উড়ন্ত রেষ্টুরেন্ট। তিনি আরও জানান, বাংলাদেশে এই প্রথম একটি উড়ন্ত রেষ্টুরেন্টের যাত্রা শুরু হল। সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়াসহ আরও একাধিক দেশে এই ধরনের রেষ্টুরেন্ট ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

 

উদ্বোধনীতে জানানো হয়, সম্পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করে অত্যাধুনিক মেশিনের ক্রেনের সাহায্যে সৈকতের ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৬০ ফুট উঁচুতে এ রেস্টুরেন্টে থাকবে খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা। এতে মেঘের রাজ্যে বসে আপ্যায়িত হওয়ার এক রুমাঞ্চকর অনুভূতি পাবেন পর্যটকরা।

 

শুক্রবার (৩ ডিসেম্বর) বিকালে দেখা যায়, সুগন্ধা পয়েন্টের হোটেল সী প্রিন্সেসের পাশের প্লটে দৃষ্টিনন্দনভাবে বসার পর্যাপ্ত স্থান রেখে চালু করা হয়েছে ‘ফ্লাই ডাইনিং’ রেস্তুরা ও কিচেন। রেস্তুরার পশ্চিম পাশের খালি স্থানে বসানো আসে একটি ক্রেন। একটি বিশেষ পাঠাতনে ২০ জন ধারণ ক্ষমতার চেয়ার, টেবিল ও উপরে ছাতার মতো এক ধরণে ছাদ দিয়ে চারপাশ খোলা রাখা হয়েছে। এ্যালোমেনিয়াম ও স্টীলের সমন্বয়ে তৈরী বিশেষ তার ক্রেনের মাথায় লাগিয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে সেই পাঠাতনে মাঝখান ও চারপাশে। মাটিতে থাকা কিসেনে পছন্দ মতো খাবার অর্ডার করে তা যেকেউ চাইলে ‘উড়ন্ত পাঠাতনে’ পরিবেশন সুবিধা নিতে পারছেন। আধুনিক জগতের এমন ব্যতিক্রম আয়োজন পাল্টে দিতে পারে কক্সবাজারের পর্যটনের আবহ। সৈকতের বালিয়াড়িতে সূচনা হয়েছে নতুন মাত্রার।

জনপ্রিয় সংবাদ